Mainstream Weekly

Home > 2020 > Deeno Daan a poem Rabindranath Tagore

Mainstream, VOL LVIII No 34, New Delhi, August 8, 2020

Deeno Daan a poem Rabindranath Tagore

Friday 7 August 2020

[120 years ago, on this very day, Rabindranath Tagore wrote a poem "Deeno Daan". It was about a temple. Here is an English translation by Sandipto Das Gupta of some of the excerpts.]

“There is no god in that temple”, said the Saint.
The King was enraged;
“No God? Oh Saint, aren’t you speaking like an atheist?
On the throne studded with priceless gems, beams the golden idol,
And yet, you proclaim that’s empty?”
“It’s not empty; It’s rather full of the Royal pride.
You have bestowed yourself, oh King, not the God of this world”,
Remarked the saint.
The King frowned, “2 million golden coins
Were showered on that grand structure that kisses the sky,
I offered it to the Gods after performing all the necessary rituals,
And you dare claim that in such a grand temple,
There is no presence of God”?
The Saint calmly replied, “in the very year in which, twenty million of your subjects were struck by a terrible drought;
The pauperized masses without any food or shelter,
came begging at your door crying for help, only to be turned away,
they were forced to take refuge in forests, caves, camping under roadside foliages, derelict old temples;
and in that very year
when you spent 2 million gold to build that grand temple of your’s,
that was the day when God pronounced:
“My eternal home is lit by everlasting lamps,
In the midst of an azure sky,
In my home the foundations are built with the values:
Of Truth, Peace, Compassion and Love.
The poverty stricken puny miser,
Who could not provide shelter to his own homeless subjects,
Does he really fancy of giving me a home?”
That is the day God left that Temple of yours.
And joined the poor beside the roads, under the trees.
Like emptiness of the froth in the vast seas,
Your mundane temple is as hollow.
It’s just a bubble of wealth and pride.’
The enraged King howled,
“oh you sham cretin of a person,
Leave my kingdom this instant’.
The Saint replied calmly,
“The very place where you have exiled the Divine,
Kindly banish the devout too".
--Rabindranath Tagore,
20th of Shravan (that is today), 1307 (as per Bengali Calendar)

[Translated from the original Bengali into English by Sandipto Das Gupta]

o o


…“সে মন্দিরে দেব নাই’ কহে সাধু।

রাজা কহে রোষে,
“দেব নাই! হে সন্ন্যাসী, নাস্তিকের মতো কথা কহ।
রত্নসিংহাসন-’পরে দীপিতেছে রতনবিগ্রহ—
শূন্য তাহা?”

“শূন্য নয়, রাজদম্ভে পূর্ণ’ সাধু কহে,
“আপনায় স্থাপিয়াছ, জগতের দেবতারে নহে।”

ভ্রূ কুঞ্চিয়া কহে রাজা, “বিংশ লক্ষ স্বর্ণমুদ্রা দিয়া
রচিয়াছি অনিন্দিত যে মন্দির অম্বর ভেদিয়া,
পূজামন্ত্রে নিবেদিয়া দেবতারে করিয়াছি দান,
তুমি কহ সে মন্দিরে দেবতার নাহি কোনো স্থান!’

শান্ত মুখে কহে সাধু, “যে বৎসর বহ্নিদাহে দীন
বিংশতি সহস্র প্রজা গৃহহীন অন্নবস্ত্রহীন
দাঁড়াইল দ্বারে তব, কেঁদে গেল ব্যর্থ প্রার্থনায়
অরণ্যে, গুহার গর্ভে, পথপ্রান্তে তরুর ছায়ায়,
অশ্বত্থবিদীর্ণ জীর্ণ মন্দিরপ্রাঙ্গণে, সে বৎসর
বিংশ লক্ষ মুদ্রা দিয়া রচি তব স্বর্ণদীপ্ত ঘর
দেবতারে সমর্পিলে। সে দিন কহিলা ভগবান—
“আমার অনাদি ঘরে অগণ্য আলোক দীপ্যমান
অনন্তনীলিমা-মাঝে; মোর ঘরে ভিত্তি চিরন্তন
সত্য, শান্তি, দয়া, প্রেম। দীনশক্তি যে ক্ষুদ্র কৃপণ
নাহি পারে গৃহ দিতে গৃহহীন নিজ প্রজাগণে
সে আমারে গৃহ করে দান!’ চলি গেলা সেই ক্ষণে
পথপ্রান্তে তরুতলে দীন-সাথে দীনের আশ্রয়।
অগাধ সমুদ্র-মাঝে স্ফীত ফেন যথা শূন্যময়
তেমনি পরম শূন্য তোমার মন্দির বিশ্বতলে,
স্বর্ণ আর দর্পের বুদ্‌বুদ্‌!’

রাজা জ্বলি রোষানলে,
কহিলেন, “রে ভন্ড পামর, মোর রাজ্য ত্যাগ করে
এ মুহূর্তে চলি যাও।’

সন্ন্যাসী কহিলা শান্ত স্বরে,
“ভক্তবৎসলেরে তুমি যেথায় পাঠালে নির্বাসনে
সেইখানে, মহারাজ, নির্বাসিত কর ভক্তজনে।”

‘দীনদান’ কবিতার অংশ
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
২০ শ্রাবণ, ১৩০৭

Notice: The print edition of Mainstream Weekly is now discontinued & only an online edition is appearing. No subscriptions are being accepted